বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:২৫ AM

নদ-নদী

কন্টেন্ট: পাতা

দেশের অন্যতম প্রধান নদনদী বহুল অঞ্চল খুলনা জেলা। মূল নদীর সংখ্যা কম হলেও শাখা নদীর সংখ্যা কম নয়। উল্লেখযোগ্য নদীগুলো হলো ভৈরব, মধুমতি, রূপসা, ভদ্রা, পশুর, শিবসা প্রভৃতি। অধিকাংশ নদনদী উত্তরে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত। সব নদ-নদীতে বারো মাস জোয়ার-ভাটা চলে।

ভৈরব নদী

ভৈরব নদীর তীরেই খুলনা শহর অবস্থিত। এর উৎপত্তি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করে দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে যশোর-খুলনা মহাসড়কের সঙ্গে অনেকটা সমান্তরালভাবে এগিয়ে দক্ষিণ-পূর্বে অগ্রসর হয়ে খুলনায় প্রবেশ করেছে। শহরে ভৈরবের তীরে পুরাতন ফরেস্ট ঘাট অবস্থিত।

রূপসা নদী

ভৈরব যেখানে উত্তরে বাঁক নিয়েছে সেখানে দক্ষিণ দিক থেকে এসে মিশেছে রূপসা নদী। এটি কোনো আদি নদী নয়, একটি খাল। জনৈক রূপচাঁদ সাহা তার লবণ ব্যবসার সুবিধার্থে মাল আনা- নেওয়ার জন্য খাল কেটে ভৈরব ও কাছি বাজারের সাথে মিলিয়ে দেন। তার নামানুসারে এই নদীর নাম হয় রূপসা। এই রূপসা ও ভৈরবের তীর ধরে গড়ে উঠেছে খুলনা মহানগরী।

ভদ্রা নদী

ভৈরব যেখানে উত্তরে বাক নিয়েছে সেখানে দক্ষিণ দিক থেকে এসে মিশেছে রূপসা নদী। এটি কোনো আদি নদী নয়, একটি খাল। জনৈক রূপচাঁদ সাহা তার লবণ ব্যবসার সুবিধার্থে মাল আনা- নেওয়ার জন্য খাল কেটে ভৈরব ও কাছি বাজারের সাথে মিলিয়ে দেন। তার নামানুসারে এই নদীর নাম হয় রূপসা। এই রূপসা ও ভৈরবের তীর ধরে গড়ে উঠেছে খুলনা মহানগরী।

পশুর নদী

এই জেলার অন্যতম প্রধান নদী পশুর। খুলনার কাছে ভৈরব নদীতে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ৮৫ মাইল পথ অতিক্রম করে সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়ে সাগরে পতিত হয়েছে। এ নদীর তীরেই গড়ে উঠেছে দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মংলা। তিন কোনিয়ার নিকট শিবসার সঙ্গে মিলিত হওয়ার পর পশুর দুইভাগে বিভক্ত হয়েছে। শিবসা ও পশুরের মিলিত স্রোত মরজাত নামে হিরনপয়েন্টে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে এবং এটাই মংলা বন্দরকে সাগরের সাথে যুক্ত করেছে। অন্য শাখা পশুর নামে নিলবাড়িয়া দ্বীপের কাছে সমুদ্রে পড়েছে। পশুরের এই দুই বাহুর মধ্যে দুবলা বদ্বীপ অবস্থিত। এখানে প্রতি বছর রাস পূর্ণিমার সময় হিন্দুদের এক বিরাট মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

শিবসা নদী

শিবসা নদীটি এলাকার ভয়াল নদী বলে পরিচিত। এর উৎপত্তি কপোতাক্ষে। জন্মের পর সোজা দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে পাইকগাছার নিকট এসে দক্ষিণ দিকে বাঁক নিয়েছে। এ-সময় উত্তর দিক থেকে হরিয়া, ঘাংরাইল, নরা, ডেলুটি, হাবরখারি, বাদুরগাছা প্রভৃতি নদীর জলধারা এই নদীতে এসে পড়েছে। ফলে এ-নদী ধারণ করেছে প্রচণ্ড রূপ। এরপর দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে সুন্দরবনের মধ্যে প্রবেশ করেছে।

খুলনার অন্যান্য নদী পলিজনিত কারণে গভীরতা হারিয়ে ফেললেও শিবসা এখনও জেলার সবচেয়ে গভীর নদী।এ-ছাড়াও রয়েছে আতাই, মজুদখালি, ঘেংরাইল, তেলিগাতি, উলুবুনে, পোদখালি, পচাখোলা, ধানিবুনে, কাজিবাছা, শৈলমারী, সালতা, ঝপঝপিয়া ও নালুয়া প্রভৃতি নদনদী, খলসী, ঘোনারদাড়া, শুয়োরমারি, বয়ারসিঙ্গে, মান্দারতলা, ট্যাংমারি, থুকড়া, আমভিটা প্রভৃতি খাল; আচাহদা হাওড় এবং ডাকাতিয়া বিল।উল্লেখযোগ্য কয়েকটি জলাশয় ও বিল হলো- খানজাহান আলী সীমানন্দ দিঘি, ঠাকুরঝি দিঘি, সারথী লেক, ভাসার বিল, কালিন্দা বিল, কচুয়ার বিল, লক্ষ্মীকাটির বিল, নন্দন প্রতাপ বিল ও গাজীরহাট বিল প্রভৃতি।

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন