কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:৫৮ AM
কন্টেন্ট: পাতা
উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি

খুলনা শহরের কোলাহলমুখর, নিরন্তর ছুটে চলা জীবনের মাঝখানে যেন দুদণ্ড শান্তির ঠিকানা উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি। পাঠকের কমতি দেখা গেল না ১২৮ বছরের পুরোনো এই লাইব্রেরিজুড়ে। খুলনা জেলার সবচেয়ে পুরোনো পাঠাগার এটি। উনিশ শতকের প্রথম দিককার কথা। বাংলার নবজাগরণের ঢেউ এসে পৌঁছেছিল কলকাতার নিকটবর্তী খুলনাতেও। ধীরে ধীরে খুলনায় গড়ে উঠতে শুরু করে এক শিক্ষিত অভিজাত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণী। এই শ্রেণী সমাজের উন্নয়ন সাধনে নানা জনহিতৈষীমূলক কাজ করতেন। ১৮৯৭ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা শহরের জ্ঞানী ও গুণীজনের আয়োজিত এক বৈঠকে একটি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যাতে স্থানীয় মানুষ সহজেই জ্ঞান আহরণ করতে পারেন। এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেন নড়াইলের তৎকালীন জমিদার রায়বাহাদুর কিরণচন্দ্র রায়। তার অর্থসাহায্যে, তার প্রয়াত পিতা উমেশচন্দ্র রায়ের নামে ওই বছরের ১ মে প্রতিষ্ঠিত হয় উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি। বর্তমানে লাইব্রেরিটি খুলনা শহরের কমরেড রতন সেন সরণিতে অবস্থিত। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই গ্রন্থাগার। রোববার সাপ্তাহিক ছুটি। এই লাইব্রেরিতে সর্বমোট ৪৩ হাজার ৫০০ বই আছে। |