কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ০২:৫১ PM
কন্টেন্ট: পাতা
কটকা, সুন্দরবন এর পরিচিতি
সুন্দরবনের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত কটকা সমুদ্র সৈকত সুন্দরবনের আকর্ষণীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম, এবং এটি মোংলা বন্দর থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ও সুন্দরবন পূর্ব অভয়ারণ্যের প্রধান কেন্দ্র। কটকা ফরেস্ট স্টেশনের দক্ষিণেই বঙ্গোপসাগর, এবং সাগর কোল ঘেঁষেই এই অভয়ারণ্যটি অবস্থিত। | ![]() |
কী দেখবেন?
![]() | ![]() |
| ওয়াচ টাওয়ার: কটকার ওয়াচ টাওয়ারটি চারতলা বিশিষ্ট, ৪০ ফুট উচ্চতার এই টাওয়ার থেকে সুন্দরবনের অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। বন্যপ্রাণী: কটকার জেটির উত্তরে খালের চরজুড়ে থাকা কেওড়ার বনে দলবদ্ধ চিত্রা হরিণ, বানর আর শূকর দেখা যায়, এবং শীতের সময় রোদ পোহানো লোনা জলের কুমিরেরও দেখা মিলতে পারে। এখানে প্রায়ই দেখা মেলে সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের, তবে এর দেখা মেলা সহজ নয়। কেওড়া বনের মাঝ দিয়ে ট্রেইল ধরে মাত্র ১৫ মিনিট হাঁটলেই হরিণের দল দেখা যায়। সমুদ্র সৈকত: প্রায় তিন কিলোমিটার ঘন সুন্দরী, গেওয়া, গরান ও কেওড়ার বন পেরিয়ে সৈকতে যেতে হয়। সৈকতের একটিতে ঝোপঝাড় বেশি, অন্যটা একটু বেশি খোলামেলা। কটকা সমুদ্র সৈকতটি স্থানীয়দের কাছে জামতলা সমুদ্র সৈকত নামেও পরিচিত – বেশ নির্জন ও পরিচ্ছন্ন এই সৈকতের বেলাভূমিজুড়ে চোখে পড়ে কাঁকড়াদের শিল্পকর্ম। তবে সতর্কতা জরুরি: এই সৈকতে ঢেউয়ের আকার অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং অজ্ঞাত চোরাবালির কারণে পানিতে নামা ঝুঁকিপূর্ণ। এই স্থানটি সূর্যাস্ত দেখার জন্যও বেশ মনোরম। |
কীভাবে যাবেন?
| কটকা যেতে চাইলে প্রথমে সুন্দরবন অঞ্চলে (খুলনা, বাগেরহাটের মোংলা) যেতে হয়। কটকায় বেড়াতে যাবার প্রধান মাধ্যম হল লঞ্চ। খুলনা থেকে রূপসা বা বাগেরহাটের মোংলা বন্দর থেকে লঞ্চ পাওয়া যায়, এছাড়া মোংলা, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা থেকেও সুন্দরবনে যাওয়ার নৌযান পাওয়া যায়। পর্যটকদের নিয়ে লঞ্চ কটকা খালে নোঙ্গর করা হয়। খালের পশ্চিম পাড়ের জেটি পেরিয়ে উপরে উঠলেই বন কার্যালয়, এখান থেকে খানিকটা পশ্চিমে ইট বাঁধানো একটি সংক্ষিপ্ত পথ ধরে এগিয়ে গেলে সমুদ্র সৈকত। | ![]() |
প্রবেশ ফি
| অভয়ারণ্য এলাকায় দেশি পর্যটকদের জন্য প্রতিদিনের জনপ্রতি ভ্রমণ ফি ১৫০ টাকা, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ৩০ টাকা, বিদেশি পর্যটকদের জন্য ১৫০০ টাকা। |