কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ০২:০৮ PM
কন্টেন্ট: পাতা
করমজল, সুন্দরবন এর পরিচিতি
মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে সামান্য দূরে পশুর নদীর তীরে ৩০ হেক্টর জমির ওপর বন বিভাগের আকর্ষণীয় এক পর্যটনস্থল করমজল যা সুন্দরবনে অবস্থিত। করমজলকে বন বিভাগ সুন্দরবনের মডেল হিসেবে গড়ে তুলেছে। প্রতিদিন শত শত পর্যটক এখানে আসেন। একদিনে সুন্দরবন ভ্রমণ এবং সুন্দরবন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নেয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান করমজল। এখানকার প্রধান প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে হরিণ, কুমির, বানর, কাঠের ট্রেইল, টাওয়ার, নৌকা চালনা, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য। দেশে প্রাকৃতিকভাবে কুমির প্রজননের একমাত্র কেন্দ্র এখানে অবস্থিত। | ![]() |
কী দেখবেন?
![]() | ![]() |
| বিশেষ আকর্ষণ হলো কুমির প্রজনন কেন্দ্র: লবণ পানির প্রজাতির কুমিরের প্রজনন বৃদ্ধি ও লালন-পালনের জন্য সুন্দরবন বায়োডাইভার্সিটি কনজারভেশন প্রকল্পের আওতায় ২০০২ সালে ৮ একর জমির উপর বনবিভাগের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয় দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রোমিও, জুলিয়েট আর পিলপিল নামে পরিচিত কুমিরগুলো দেয়াল ঘেরা একটি পুকুরে রাখা হযেছে। এছাড়া প্রবেশমুখেই রয়েছে সুন্দরবনের মানচিত্র, যা প্রাথমিক ধারণা দেয়। আঁকাবাঁকা কাঠের মাঙ্কি ট্রেইল ধরে এগিয়ে গেলে জীববৈচিত্র্যের স্বাদ পাওয়া যায়। পথের শেষে পশুর নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় এবং বিশ্রামের জন্য বেঞ্চ আছে। পশ্চিম দিকের আরেকটি ট্রেইল কুমির ও হরিণ প্রজনন কেন্দ্র এবং পর্যবেক্ষণ টাওয়ার পর্যন্ত নিয়ে যায়, যেখান থেকে আশপাশের অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করা যায়। ট্রেইলে গুইসাপও দেখা যায়, এমনকি ৫ ফুটের বেশি লম্বা প্রজাতিও মিলতে পারে। তবে সতর্কতা জরুরি: ট্রেইল জুড়ে রেসাস বানরের দেখা মেলে, যারা ট্যুরিস্টদের কাছাকাছি চলে আসে – হাতে কলা বা খাবার নিয়ে চলাচল না করাই ভালো, কারণ বানর খাবারের জন্য ঘিরে ধরতে পারে। |
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে মোংলা (সরাসরি): সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে সরাসরি মোংলা যাওয়ার বাসে চড়া সবচেয়ে ভালো সুন্দরবন ও দিগন্ত পরিবহনের বাসে জনপ্রতি ৭০০ টাকা ভাড়ায় যাওয়া যায়। খুলনা হয়ে: খুলনার বাসে কাটাখালী নামক জায়গায় নেমে মাহেন্দ্রা, অটো বা মোটরসাইকেলে ৩২ কিলোমিটার দূরে মোংলা যাওয়া যায়, অথবা খুলনা শহরে গিয়ে সেখান থেকে মোংলা যাওয়া যায়। মোংলা থেকে করমজল: মোংলা থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করমজল পৌঁছাতে সাধারণত এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। মোংলা ফেরিঘাট থেকে ১০ জন ধারণক্ষমতার নৌকা | ![]() |
প্রবেশ ফি
| করমজল প্রবেশ ফি: দেশি পর্যটক ৪৬ টাকা, বিদেশি ৫৭৫ টাকা। এছাড়া গাইড ফি প্রতিদিন ৫০০ টাকা, নিরাপত্তা রক্ষীর ফি ৩০০ টাকা, টেলিকমিউনিকেশন ফি ২০০ টাকা, ভিডিও ক্যামেরা ফি দেশি ২০০ টাকা ও বিদেশি ৩০০ টাকা। |