কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১১:৩০ AM
কন্টেন্ট: পাতা

গল্লামারি বধ্যভূমি এর পরিচিতি
গল্লামারী বধ্যভূমি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই অবস্থিত, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে খুলনা অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রেডিও স্টেশন ভবনে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষদের ধরে এনে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করে গল্লামারী নদীতে ফেলে দেওয়া হতো। শহরের দু'কিলোমিটার অভ্যন্তরে গল্লামারী খালের পাশেই এই বধ্যভূমির অবস্থান। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্নিকটে ময়ূর নদীর তীরে অবস্থিত এই গল্লামারী বধ্যভূমি। স্বাধীনতার পর রেডিও সেন্টারটি (বর্তমান বাংলাদেশ বেতার, খুলনা কেন্দ্র) নগরীর নূরনগর এলাকায় স্থানান্তরিত হয়েছে। বর্তমানে এখানে শহীদদের স্মরণে একটি শহীদস্মৃতি সৌধ নির্মিত হয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে "গল্লামারি বধ্যভূমি শহীদস্মৃতি সৌধ" নামে পরিচিত। |
কীভাবে যাবেন?
| খুলনা শহরের ভেতরেই এই স্থান, ফলে যাতায়াত খুব সহজ: খুলনা সদর থেকে: শহরের মূল কেন্দ্র (যেমন শিববাড়ি মোড়/ডাকবাংলো) থেকে রিকশা বা ইজিবাইকে সরাসরি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যান- দূরত্ব মাত্র ২ কিলোমিটারের মধ্যে। অবস্থান চেনার উপায়: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক/ক্যাম্পাসের পাশেই, ময়ূর নদী ও গল্লামারী খালের তীরে এই স্মৃতিসৌধ অবস্থিত-বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে স্থানীয়দের জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দেবে। বাহন: রিকশা, ইজিবাইক বা সিএনজি যেকোনোটিতেই সহজে পৌঁছানো যায়, ভাড়া সাধারণত ৩০-৫০ টাকার মধ্যে। |