কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১১:২২ AM
কন্টেন্ট: পাতা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের বসতভিটা (পিঠাভোগ) এর পরিচিতি
| রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতৃপুরুষের আবাসভূমি বাংলাদেশের খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার অন্তর্গত ঘাটভোগ ইউনিয়নের পিঠাভোগ গ্রামে। এটি কুশারী বংশের আদি ভিটা- যেখান থেকেই পরবর্তীতে "ঠাকুর" পরিবারের সূচনা। বংশের ইতিহাস বেশ চমকপ্রদ: কুশারীরা ভট্টনারায়ণের পুত্র দীন কুশারীর বংশজাত, যিনি বর্ধমান জেলার কুশ গ্রাম পাওয়ার সুবাদে "কুশারী" নামে পরিচিত হন। পরবর্তীতে কুশারীরা বঙ্গদেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে, এবং পিঠাভোগের কুশারীরাই এদের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ও অবস্থাপন্ন হয়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষ পঞ্চানন কুশারী পিঠাভোগের এই বাড়ি ছেড়ে কলকাতায় চলে যান- সেখান থেকেই "কুশারী" থেকে "ঠাকুর" পরিবারের যাত্রা শুরু হয়, যা পরে জোড়াসাঁকোয় প্রতিষ্ঠিত হয়। |
বর্তমান অবস্থা
| স্থানটি ভ্রমণ করে একজন লেখকের বর্ণনা থেকে জানা যায়: মূল সড়কের সাথেই কলকাতার জোড়াসাঁকোর আদলে তৈরি একটি তোরণ আছে, তবে গ্রামীণ পরিবেশের কারণে এটি কলকাতার তোরণের চেয়ে বেশি সবুজের আবহে ঘেরা। এখানে একটি উন্মুক্ত মঞ্চ আছে যেখানে রবিঠাকুরের আবক্ষ মূর্তি রয়েছে, এবং একতলা সংগ্রহশালা ভবনে রবিঠাকুরের ছবি ও বংশতালিকা প্রদর্শিত আছে। স্থানটি বাংলাদেশের একটি স্বীকৃত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। |
কীভাবে যাবেন?
| সরকারি/প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসারে: খুলনা থেকে বাসে রূপসা উপজেলায় গিয়ে সেখান থেকে স্থানীয় যানবাহন পাওয়া যায়। নওয়াপাড়া বিশ্বরোড থেকে ৭ কিমি দক্ষিণে গিয়ে পিঠাভোগ কাজদিয়া সেতু পার হয়ে ১ কিমি পূর্বে ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের পাকা রাস্তা ধরে এগিয়ে প্রাচীন ভৈরব নদীর ৪০০ ফুট উত্তর পাড়েই কুশারী বাড়ির অবস্থান। বাস্তব অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক রুট (নৌকা পথে): খুলনার রূপসা নদী নৌকায় পার হয়ে ওপারে পৌঁছে মাহিন্দ্রায় চড়ে রূপসা উপজেলা সদর কাজদিয়ায় যেতে হয়। সেখান থেকে ৮ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা পেরিয়ে কাজদিয়া, তারপর অটোভ্যানে আরও ৩ কিলোমিটার গেলে পিঠাভোগ গ্রাম। |