মেনু নির্বাচন করুন

ইনোভেশন কর্নার


টিম

১. ইনোভেশন টিম

খুলনা জেলা ইনোভেশন টিম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সংযুক্ত ফাইলটি দেখুন।


পাইলট কর্মসূচী

১. খুলনা জেলায় ভিক্ষুক মুক্তকরণ, ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন কর্মসূচি

সূচনাঃ

ভিক্ষাবৃত্তিমানবতার চরম অবমাননা ও অমর্যাদাকর পেশা।স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ঘৃণিত একটি পেশা মানুষ গ্রহণ করুক এটা কাম্য নয়।এটি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও দেশের সম্মান নষ্ট করে।দারিদ্র্যের কষাঘাতে পিষ্ট হয়ে বেঁচে থাকার তাগিদে  অথবা শারীরিক অক্ষমতায় অনেকে ভিক্ষা করতে বাধ্য হয় ।অর্থ-উপার্জনের সহজ পথ হিসেবে ভিক্ষাবৃত্তিকে অনেকে পেশা ও ব্যবসা হিসেবে বেছে নেয়।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মধ্যম আয়ের ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনের যে কর্ম উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণহলো কোন মানুষ না খেয়ে থাকবে না। এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনা জেলায় গ্রহণ করা হয়েছে ভিক্ষুক মুক্তকরণ, ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন কর্মসূচি।

২) লক্ষ্য

ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান , পুনর্বাসন ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনা।

৩)উদ্দেশ্যঃ

ü  জরিপের মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত মানুষের সংখ্যা নির্ধারণ।

ü  উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির মাধ্যমে ভিক্ষুকদের ভিক্ষাবৃত্তি থেকে  নিবৃত করা।

ü  ভিক্ষুকদেরকে  সামাজিক নিরাপত্তা কর্মুসূচি ও সরকারেরবিভিন্ন সহায়তার আওতায় নিয়ে আসা ।

ü  প্রত্যেক উপজেলায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রেশন নিয়ে ভিক্ষুক মুক্তকরণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থান  সংস্থা গঠন করা ।

ü  স্বেচ্ছায় প্রদত্ত অনুদান গ্রহণ এবং উক্ত অর্থ ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনে ব্যবহার করা।

) ভিক্ষুক নির্বাচনে মানদণ্ডঃ

ভিক্ষাবৃত্তির কারণ

Ø  অতি দরিদ্র

Ø  শারীরিক প্রতিবন্ধকতা,যেমনঃ- অন্ধও কানা, বোবা, হাত-পা নেই, মানসিক প্রতিবন্ধকতা,

Ø  পরিবার কর্তৃকপরিত্যাগ।

Ø  নদী ভাঙ্গনে বাস্তুভিটাহীন

Ø  অতিবৃদ্ধ

Ø  ছিন্নমূল

Ø  অভ্যাসগত

) জরিপ পদ্ধতিঃ

1.      বাড়ি বাড়ি গিয়ে জরিপ সম্পন্ন করাহয়।

2.     জরিপের জন্য জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারি, এনজিওকেসম্পৃক্তকরা হয়েছে।

3.      মসজিদ ভিত্তিক টিম গঠন

4.      ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি গঠন

5.     বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশন ও বড় বড় শপিং  মলে গমন করেজরীপসম্পন্ন করা

6.     ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার সদস্য ও কাউন্সিলরদের সহায়তা গ্রহণকরা  

7.     ২৬ টি তথ্যসম্বলিতনির্ধারিত সার্ভে ফর্ম ব্যবহার করে জরিপ সম্পন্নকরা

8.     জরিপ তালিকা যাচাই-বাছাইয়ে জেলা প্রশাসন কর্তৃক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সিনিয়র সহকারি কমিশনার/সহকারি কমিশনার/নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা টিম গঠন করে বাড়ি  বাড়িগিয়ে / সরাসরি দেখার মাধ্যমে তালিকা পুনঃযাচাই সম্পন্ন করাহয়েছে। এই পদ্ধতি অনুসরণ করে ভিক্ষুকদের ছবিসহ পূর্ণাঙ্গ তালিকা করা হয়েছে।

 

) জরিপের ফলাফলঃ

খুলনা জেলায় এ পর্যন্ত  সার্ভেকৃত ভিক্ষুক সংখ্যা ৩৫৫১ জন। শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় অন্ধ ১৫৩জন, বধির ৭৮জন, বোবা ৪৮জন, পা নেই১৩৪জন, হাত নেই১৭ জন, অন্যান্য ৩১২১ জন ।তথ্যদি নিম্নরুপঃ

জেলা

ভিক্ষুকেরসংখ্যা

ভিক্ষুকেরবৈশিষ্ট(অবস্থা)

পুরুষ

 

মহিলা

 

মোট

অন্ধ

বধির

বোবা

পা নাই

হাত নাই

অনান্য

খুলনা

২৬০১

৯৫০

৩৫৫১

১৫৩

৭৮

৪৮

১৩৪

১৭

৩১২১

 

*খুলনা জেলারবাহিরের এলাকা থেকে আসা ভাসমান ভিক্ষুকদের জন্য তালিকা কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

খুলনা জেলায়এ পর্যন্ত ভিক্ষুক সংক্রান্ত সভা হয়েছে ১২৬টি, মোট ভিক্ষুক সংক্রান্ত মত বিনিময় সভার সংখ্যা ১৩৯, এ পর্যন্ত ৯টি ইউনিয়ন ভিক্ষুক মুক্ত হয়েছে।  জেলাকে ভিক্ষুক মুক্তকরণের কাজ চলমান রয়েছে।

জেলা

জেলার মোট ভিক্ষুক সংক্রান্ত সভার সংখ্যা

জেলার মোট ভিক্ষুক সংক্রান্ত মত বিনিময় সভার সংখ্যা

কতটি ইউনিয়ন ভিক্ষুক মুক্ত করা হয়েছে

কতটি উপজেলা ভিক্ষুক মুক্ত করা হয়েছে

 
 

খুলনা

১২৬

১৩৯

০৯

 

 

৭) পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান কার্যক্রমঃ

খুলনা জেলায় ৩৫৫১জন ভিক্ষুকের মধ্যে সক্ষম ও অক্ষম ক্যটাগরিতে ভাগ করে পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান গ্রহণ করা হয়েছে।  

বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় হতে পুর্নাঙ্গ সার্ভে ফর্ম তৈরি করে  জেলায় নমুনা সরবরাহ করা হয়। ২৬ টি তথ্যের সমন্বয়ে তৈরি এ সার্ভে ফর্মে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তথ্য যাচাই বাছাই করে ভিক্ষুক তালিকা তৈরি করা হয়। জরিপ কার্যক্রমে দেখা যায় খুলনা জেলায় বিভিন্ন শ্রেণির /ক্যাটাগরির ভিক্ষুক বিদ্যমান। এ কারনে অধিকাংশ ক্ষেত্রে একাধিক পদ্ধতি/মাধ্যম ব্যবহার করা হয়েছে। তাদেরকে বর্তমানে চালু সরকারি বিভিন্ন পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা নিম্নরুপ:

সহায়তার ধরণ

কর্মসূচীর নাম/ প্রকল্পের নাম

সরকারি

বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা, ভিজিডি, কর্মসংস্থান, ফেয়ারপ্রাইস, মধ্যমেয়াদী, পুনর্বাসন, কর্মসৃজনকর্মসূচি, রেশনকার্ড, ৪০ দিন কর্মসূচি, হতদরিদ্রদের চাল বিতরণ, আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর বরাদ্দ,  ত্রাণ তহবিল হতে গৃহ নির্মাণের জন্য ঢেউটিন ও নগদ অর্থ প্রদান, পৌরসভারনিজস্বঅর্থায়ন, ১% উপজেলাপরিষদেরউন্নয়নতহবিল, ভূমি হস্তান্তর ১% এবং অন্যন্য সরকারি দপ্তরের সহায়তা

বেসরকারি

স্থানীয় এনজিও ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান

নগদ অর্থায়ন

(সংস্থার তহবিল দ্বারা)

রেশনিং, ক্ষুদ্র ব্যবসা, কাপড়ের ব্যবসা, মুদির দোকান, চা এর দোকান, কাঁচা মালের ব্যবসা, পানের দোকান, বাদাম বিক্রি, মসলা বিক্রি, কাঠ বিক্রি, ব্যাবসা, ডিমের ব্যবসা ,ভ্যান চালক, রিক্সা চালক, হাঁস-মুরগী, সেলাই মেশিন, দর্জিরকাজ, গরু পালন, আর্থিক সাহায্য, পিঠা তৈরী, পশু পালন

অন্যান্য

সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা/অনুদান

এ পর্যন্ত ৩৫৫১ জন ভিক্ষুকের মধ্যে ১৮৩৮জনকে ইতোমধ্যে পূর্বের পাতায় বর্ণিত এক বা একাধিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এবং ১৭১৩জন ভিক্ষুকের পুনর্বাসন কার্যক্রমের চলমান রয়েছে।  তথ্যদি নিম্নরুপঃ

 জেলার নাম

মোট ভিক্ষুক সংখ্যা

(জন)

এ পর্যন্ত কর্মসংস্থান/পুনর্বাসন হয়েছে
(জন)

অবশিষ্ট কতজনকে কর্মসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে(জন)

মন্তব্য

খুলনা

৩৫৫১

১৮৩৮

১৭১৩

অবশিষ্টদেরপুনর্বাসন কার্যক্রমের চলমান রয়েছে। 

* ভিক্ষুক মুক্তকরণ কার্যক্রম এর অগ্রগতির সাথে তালিকা কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

সরকারি/বেসরকারি/এনজিও/স্থানীয় সহায়তায় খুলনা জেলায়যে ভাবে এ সকল ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করা হয়েছে/হবে তার রূপরেখা নিম্নরুপঃ

জেলা

মোট ভিক্ষুকের সংখ্যা

এ পর্যন্ত কত জনকে পুনর্বাসন করা হয়েছে

০৩ নং কলামে উল্লেখকৃত ভিক্ষুকদের কি কি উপায়ে কত জনকে পুনর্বাসন/কর্মক্ষম করা হয়েছে

অবশিষ্ট কতজন কে পুনর্বাসন করা হবে

০৫ নং কলামে উল্লেখকৃত ভিক্ষকদের কি কি উপায়ে কত জনকে পুনর্বাসন করা হবে

মন্তব্য

খুলনা

৩৫৫১

১৮৩৮

  • রেশনিং- ৬১৪
  • চায়ের দোকান-১২৯
  • সেলাই মেশিন- ৪৮
  • কাঁচামালের ব্যবসা- ৩৬
  • ভ্যান বিতরণ- ৫৩
  • পুরাতন কাপড় বিক্রি-২৪
  • বাদাম বিক্রি-১২
  • তুষ খড়ি বিক্রি-৮
  • ওজন মাপাযন্ত্র – ১৬
  • পানের দোকান – ৬১
  • পিঠা তৈরী সরঞ্জাম-৩৪
  • হাঁস-মুরগি-১৬
  • ঝাল-মুড়ি সরঞ্জাম – ১০
  • মুদির দোকান- ৪৪
  • ডিম বিক্রি-৩৪
  • ঠোঙ্গা তৈরির উপকরণ- ০২
  • আগরবাতী তৈরীর উপকরণ- ০২
  • টক দই বিক্রি- ০১
  • হাড়ি পাতিল- ২
  • শাকসবজি বিক্রি ভ্যানগাড়ি- ০১
  • ভিজিডি– ১২৬
  • ভিজিএফ- ৯
  • ভিজিএফ+৪০দিনের কর্মসূচী– ৭৫
  • ভিজিএফ+ ১০ টাকার চাউল– ১০০
  • ভিজিএফ+ বিধবা ভাতা - ৬
  •  বয়স্ক ভাতা-৯৪
  • বয়স্ক ভাতা + হাঁস-মুরগী-১০
  • বয়স্ক ভাতা + ১০ টাকার চাউল- ১৪
  • বিধবা ভাতা-৭০
  • প্রতিবন্ধী ভাতা-৪১
  • প্রতিবন্ধী ভাতা + ১০ টাকার চাউল- ৩
  • শাড়ি, লুঙ্গি ও কম্বল-২০
  • ১০ টাকার চাউল-১৬
  • ঢেউটিন + ৬০০০/-- ২০
  • রেশন কার্ড-৭২
  • অন্যান্য– ১৫

                           মোট : ১৮৩৮ জন

১৭১৩

·       রেশনিং- ১৭৩

·       চায়ের দোকান- ১৮

·       সেলাই মেশিন- ২৯

·       কাঁচামালের ব্যবসা- ৩৫

·        ভ্যান বিতরণ- ১২

·        বাদাম বিক্রি-৩১

·       পানের দোকান – ২৮

·       পিঠা তৈরী সরঞ্জাম-৯

·       ঝাল-মুড়ি সরঞ্জাম – ৩৯

·       মুদির দোকান-৩৫

·       ডিম বিক্রি-২৭

·       হাঁস-মুরগি-১৩৫

·       ১০ টাকার চাউল- ৪৯

·       ৪০দিনের কর্মসূচী- ৮৩

·       ক্ষুদ্র ব্যবসা- ২১

·       পুনর্বাসন- ০২

·       ভিজিডি–৩১৮

·       ভিজিএফ           - ২৩৭

·       বয়স্ক ভাতা-২০৮

·       বিধবা ভাতা- ১০৬

·        প্রতিবন্ধী ভাতা-৩২

·       পশু (ছাগল/ভেড়া/গরু) পালন- ১০

·       অনুদান-১০

·       অন্যান্য-০৬

 

 

মোট : ১৭১৩জন

অবশিষ্টদের কে   পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।

এ কর্মসূচীকে বাস্তব রূপদান করতে  বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ভূমিব্যবস্থাপনাপ্রশাসন এঁরসকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর একদিনের বেতন জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত‘ভিক্ষুক মুক্তকরণ এবং ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন সংস্থা’ এঁরতহবিলে প্রদানকরা হয়েছে। এ পর্যন্ত উক্ত সংস্থার তহবিলে প্রশাসনের ৫৬২ জন কর্মকর্তা/ কর্মচারীর ১ দিনের বেতন থেকে  ৩,৫০,৮৬৫/-টাকা (তিন লক্ষ পঞ্চাশহাজার  আটশত পয়ষট্টিটাকা ) ও অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীর  অনুদান থেকে ৮,৩০,৫৫৭/-এবং স্বেচ্ছা অনুদান থেকে ২৮,৯৩,০০৪/-টাকা মোট ৪০,৭৪,৪২৬/-টাকা (চল্লিশ লক্ষ চুয়াত্তর হাজার চারশত ছাব্বিশটাকা অনুদান পাওয়া গিয়েছে। বিস্তারিত নিম্নরূপঃ

জেলারনাম

জেলাওউপজেলাপ্রশাসনেকর্মরতকর্মকর্তা/ কর্মচারীথেকেপ্রাপ্তঅর্থ(বিস্তারিত)

অনান্যসরকারিকার্যালয়  থেকেপ্রাপ্তঅর্থ(বিস্তারিত)

অন্যান্যস্বেচ্ছাঅনুদান  থেকেপ্রাপ্তঅর্থ(বিস্তারিত)

মোটটাকা

মন্তব্য

অর্থপ্রদানকারিকর্মকর্তা/ কর্মচারীরসংখ্যা

প্রাপ্তঅর্থ

অর্থপ্রদানকারিকর্মকর্তা/ কর্মচারীরসংখ্যা

প্রাপ্তঅর্থ

প্রাপ্তঅর্থ

০১

০২

০৩

০৪

০৫

০৬

০৮

০৯

খুলনা

৫৬২ জন

৩,৫০,৮৬৫/-

১৬৬৬ জন

৮,৩০,৫৫৭/-

২৮,৯৩,০০৪/-

৪০,৭৪,৪২৬/-

 

 

 

8) খুলনা জেলায়  এ কর্মসূচি বাস্তবায়নেযে পদ্ধতিঅনুসরণ হয়েছেঃ

1.      উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অন্যান্য সরকারী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ, এনজিও, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সহায়তা নিয়ে ভিক্ষুকদের একটি সার্ভে সম্পন্ন করা হয়েছে।  উক্ত সার্ভে ফর্মে ভিক্ষুকদের ব্যক্তিগত, বয়স, স্বাস্থ্যগত, অভ্যাসসহ প্রাসঙ্গিক তথ্যাদিসহ যারা ভিক্ষাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন তাও উল্লেখ রয়েছে। 

2.     খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর এলাকায় পৌরসভাসমূহের মেয়রগণের সহায়তা, অন্যান্য সরকারি/বেসরকারি কর্মকর্তাগণের সহায়তা নিয়ে জেলা প্রশাসন (একজন অতিরিক্ত  জেলা প্রশাসক) উক্ত সার্ভে কাজ সম্পন্ন করেছে।

3.     জেলা ও  উপজেলা পর্যায়ে  এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ‘’ স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণ সংস্থাসমূহ (রেজিস্ট্রেশন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ , ১৯৬১’’ এর তফসিলের ১০ নং অনুযায়ী ‘ভিক্ষুক মুক্তকরণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থান’ নামে একটি সংস্থাগঠনপূর্বক সমাজসেবা হতে  নিবন্ধনের ব্যবস্থা গৃহিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক জেলা পর্যায়ে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা পর্যায়ে কমিটির সভাপতি।কমিটিতে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, এনজিও, সিভিল সোসাইটি, জনপ্রতিনিধিদেরকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।  

4.      শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , মসজিদ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ভিক্ষাবৃত্তির কুফল এবং ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা  হয়েছে।  

5.     সার্বিক কার্যক্রম জাতীয় দৈনিক, স্থানীয় ক্যাবল অপারেটর এর মধ্যমে প্রচারের জন্য ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।

6.     যে সকল ভিক্ষুককে পুনর্বাসন করা হচ্ছে, তাঁদের পুনর্বাসনের আগেই সঠিক ভিক্ষুক কিনা যাচাই করা

7.     স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের এ কর্মসূচিতে সহযোগিতার জন্য অনুরোধ করা হয় এবং সকল মহল থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা আশাব্যঞ্জক।

৯) চ্যালেঞ্জসমূহঃ

Ø  যুগ যুগ ধরে ভিক্ষাবৃত্তি চলে আসছে।

Ø  পুণ্য অর্জনের জন্য ভিক্ষা দান।

Ø  অনেক ভিক্ষুক ভিক্ষাবৃত্তিকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে।

Ø  শারীরিক অক্ষমতা / মানসিক অক্ষমতা।

Ø  পরিবারের সদস্যদের  দায়িত্ব না নেয়া/ অবহেলা।

Ø   অসুস্থতা এবং বার্ধক্য।

Ø  ছিন্নমূল ও পিতৃমাতৃহীন।

Ø  অন্য জেলাথেকে রেলওয়ে , স্টিমারে ভিক্ষুকদের আগমন।

Ø  ভিক্ষুকদের  ভিক্ষাবৃত্তি পরিহারে অনীহা।

 

১০) কর্মসূচীকে সমুন্নত (sustainable) রাখার উপায়ঃ

vকর্মসূচীকে নিয়মিত মনটরিং ও ধারাবাহিকতার জন্য ভিক্ষুক মুক্তকরণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানসংস্থা গঠন করা হয়েছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রেশন গ্রহণ করা হচ্ছে।

vজেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভিক্ষুক পুনর্বাসন সেল গঠন করা হয়েছে।

vমসজিদ, মন্দির, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও বিভিন্ন মিডিয়ায় ভিক্ষাবৃত্তির বিরুদ্ধে প্রচারণাচালানো হচ্ছে।

vসরকারি বেসরকারি সংস্থা , সিভিল সোসাইটি, জনপ্রতিনিধি ও মিডিয়াকে এ মহৎ কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

চিত্রঃ খুলনা জেলায় ভিক্ষুক মুক্তকরণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থান কর্মসূচি


কর্ম পরিকল্পনা

১. বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা

বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা-২০১৭


রিপোর্ট

১. বার্ষিক প্রতিবেদন

বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৬


Share with :

Facebook Twitter