মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্পসমূহ

আশ্রয়ন-২ প্রকল্পঃ

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের আশ্রয়ণ আবাসন বা গুচ্ছগ্রাম রয়েছে ২২টি তন্মধ্যে হরিঢালী ইউনিয়নের চর কপোতাক্ষী আশ্রয়ন প্রকল্পটি কপোতাক্ষের চরে অবস্থিত। সেখানে ৮০টি পরিবারের বাসযোগ্য হলেও বসবাস করছে প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ। কপিলমুনিতে হাড়িয়া নদীর তীরে অবস্থিত ভৈরবঘাটা আশ্রয়ন প্রকল্প। এখানে ৬৫টি পরিবারের থাকার ব্যবস্থা হলেও বাস করছে ২শতাধিক মানুষ। লতা ইউনিয়নের পুটিমারী আশ্রয়ন প্রকল্প ৯০টি পরিবারের জন্য গড়ে উঠলেও বসবাস করছে আড়াই শতাধিক মানুষ। সোলাদানাতে মোট আশ্রয়ণ প্রকল্পের সংখ্যা ৬টি। এর মধ্যে হরিঢালী আদর্শ গ্রামে ৪০টি পরিবারের ১২০জন বয়ারঝাপা গুচ্ছগ্রামে ৩০টি পরিবারের প্রায় ১৩০জন, সোলাদানা বামর সংলগ্ন গুচ্ছগ্রামে ৩০ পরিবারের প্রায় ১২৫ জন, ভিলেজ পাইকগাছা আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৩০পরিবারের ১১৫জন, পতন আবাসন প্রকল্পে ৯০টি পরিবারের প্রায় ২৭০জন ও বেতবুনিয়া গুচ্ছগ্রামে ৫০টি পরিবারের প্রায় ২’শ জন বসবাস করছে। লস্কর ইউনিয়নের হেতালবুনিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৪০পরিবারের জন্য বরাদ্দ হলেও সেখানে রয়েছে ১৭০জনের বাস। গদাইপুর ইউনিয়নের বাইসারাবাদ আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৬০টি পরিবারের প্রায় ২৩০জন বসবাস করছে। রাড়–লী ইউনিয়নে ২টি প্রকল্পের কলমিবুনিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পে ৩০পরিবারের প্রায় শতাধিক ও রাড়–লী খেঁয়াঘাট সংলগ্ন আশ্রয়ন প্রকল্পে ৫০পরিবারের দু’শতাধিক লোকের বসবাস। চাঁদখালী ইউনিয়নে আশ্রয়ণ বা গুচ্ছ গ্রাম রয়েছে ৪টি। তন্মধ্যে কাওখালী আদর্শ গ্রামে ৪৬টি পরিবারের প্রায় ৩শ জন সদর আবাসন প্রকল্পে ৬০টি পরিবারের ২৫০ জন। দেবদুয়ার আশ্রয়ণ প্রকল্পে শতাধিক পরিবারের প্রায় ৪শ জন এবং হাচিমপুর আবাসন প্রকল্পে ৬০ পরিবারের প্রায় ২’শ জন মানুষ বাস করছে। গড়ইখালী ইউনিয়নের বাজার সংলগ্ন দুটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ১৪০ পরিবারের প্রায় ৪ শতাধিক নুরপুর আবাসন প্রকল্পে ৬০পরিবারের প্রায় ২শ জন লোকের আবাসন। এছাড়া কুমখালী আশ্রয়ণ প্রকল্প ৬০টি পরিবারের হলেও ১৫০জন মানুষের বসবাস সেখানে। তাছাড়া পৌর সদরে সরল গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের  ৫০পরিবারের জন্য হলেও বর্তমানে সেখানে প্রায় আড়াইশ মানুষের বাস।

 

একটি বাড়ি একটি খামারঃ

গ্রামকে সকল অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূলভিত্তি এবং গ্রমীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আগামী জুন মাসে এর মেয়াদ শেষ হবার কথা থাকলেও দু’বছরের জন্য মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। দারিদ্র হ্রাস করে দেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে রূপান্তর কল্পে প্রকল্পভূক্ত প্রতিটি পরিবারের বিদ্যামান সম্পদের পুঁজি, শ্রম ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে একটি বাড়িকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী পরিবার হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করছে এ প্রকল্প।
  গত ২০১০ সালে খুলনা জেলায় ৪ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয় এবং চলতি বছরের জুন মাসে শেষ হবে। সরকার আগামী ১৫ সাল পর্যন্ত দু’বছরের জন্য এ প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। জেলার ৯টি উপজেলার ৩৬টি ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের একটি গ্রামে চলছে এ প্রকল্প’র কার্যক্রম। ৩৬টি ইউনিয়নে ৯টি করে সমবায় সমিতি রয়েছে। প্রতিটি সমিতিতে ৪০ জন মহিলা ও ২০ জন পুরুষ সদস্য রয়েছে। এ নিয়ে খুলনা জেলায় ১৯ হাজার ৪৪০ জন সুবিধাভোগী সদস্য স্বাবলম্বী হচ্ছে।
সমবায় সমিতির মাধ্যমে প্রত্যেক সদস্য প্রতিমাসে ২শ’ টাকা, সরকারের দেওয়া ২শ’ এবং সমিতি দিচ্ছে ২শ’ এনিয়ে একজন সদস্য প্রতিমাসে ৬শ’ টাকা তার হিসাবে জমা হচ্ছে। সরকার প্রতি বছর ৪ বার কিস্তিতে প্রকল্পের টাকা টাকা প্রতি ৩ মাস অন্তর সদস্য এবং সমিতিকে দিয়ে থাকে। সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং প্রকল্পের সমন্বয়কারী দু’জনে সমিতির কার্যক্রম এবং হিসাব পরিচালনা করে থাকেন। সুবিধাভোগীরা উঠান-বৈঠকের মাধ্যমে আয়বর্ধন খাতে চাহিদা মোতাবেক ঋণ নেয়া দেয়া সব কিছু ঠিক করে থাকেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুপারিশক্রমে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক থেকে একজন সদস্য ১০ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাচ্ছেন। বর্তমান চেকের মাধ্যমে ঋণ দেয়া হচ্ছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মোবাইল ব্যাংকিং’র মাধ্যমে সদস্যদের ঋণ দেয়া হবে।
 গত মার্চ মাস পর্যন্ত ৫ কোটি ৯২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা সঞ্চয়ে জমা হয়েছে। উৎসাহ সঞ্চয় বোনাস ৪ কোটি ৪১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা সরকার সদস্যদের মাঝে দিয়েছে। সমিতিকে ঋণ সহায়তা তহবিল ৫ কোটি ৭৩ লাখ ১৯ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। সমিতিতে মোট ১৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা জমা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১২ হাজার ৮৫৮ জন সদস্যকে ১০ কোটি ৯১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১ কোটি ৩৯ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এরা নিজেদের সুবিধামত সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ করবেন।
এসকল সমিতির সদস্য ও সুবিধাভোগীদের প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এরা ঋণ নিয়ে পর্যায়ক্রমে স্বাবলম্বী হচ্ছে।
উপকারভোগীরা নিজেরা পছন্দ করে এলাকার স্থানীয় হাট-বাজার থেকে গবাদি পশু ও হাট মুরগী ক্রয় করে থাকে। দুধেল গাভী, হাঁস-মুরগী পালন, মাছ চাষ, সার-বীজ, কীটনাশক, স্বাস্থ্য ও পরিবেবশ Ÿান্ধব সামগ্রী, ভ্যান গাড়ী, সেলাই মেশিন ক্রয় করে নিজেরা স্বাবলম্বী হয়েছে। সুষ্ঠ, সুন্দর এবং স্বচ্ছভাবে চলছে প্রকল্পের কাজ। দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে স্বাবলম্বী করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
সরকারের ভিশন ২০২১ সফল করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ণ ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের অধীনে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

 

২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টি আর-খাদ্যশস্য) সাধারন (১ম)কর্মসূচীর আওতায় বরাদ্দকৃত চালের দ্বারা বাস্তবায়িত প্রকল্পের অগ্রগতির প্রতিবেদন ডাউনলোড করুন সংযুক্ত ফাইল থেকে।


 

সংযুক্তি

RELIEF REPORT 2009-10 TO 2012-2013.doc RELIEF REPORT 2009-10 TO 2012-2013.doc