মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খালিশপুর, খুলনা।

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

বিদ্যালয়টির চারিপার্শ্বে পাচিল দ্বারা বেষ্টিত ২.৭০ একর ভূমির উপর ০২ (দুই) টি দ্বিতল ভবন, ০৩ (তিন) টি সেমি পাকা টিনশেড সহ বিদ্যালয়ের মোট রুম সংখ্যা ২৩ (তেইশ) টি। এছাড়া একটি বড় ফুটবল মাঠ এবং একটি প্যারেড গ্রাউন্ড রয়েছে।

১৯৫৯ ইং সাল।

মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, মংলা বাগেরহাট পরিচালিত পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯৫৯ সালে খুলনার অন্যতম কিন্ডার গার্টেন বিদ্যালয় রূপে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর বন্দর কর্তৃপক্ষের বাৎসরিক আর্থিক মঞ্জুরীর মাধ্যমে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে বিদ্যালয়টি চালু হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছেলে-মেয়েদের পড়াশুনার জন্য ১৯৮১ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়টি অধিগ্রহণ করে। তখন থেকে বিদ্যালয়ের আর্থিকসহ সমূদয় দায়-দায়িত্ব মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বহন করে আসছে।

বর্তমানে অত্র বিদ্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের লেখা-পড়ার পাশাপাশি বহিরাগত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা লেখাপড়া করার সুযোগ পায়। NON MPO ভুক্ত শিশু থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি অতীব সুনামের সাথে খুলনা বিভাগের খুলনাস্থ খালিশপুরে বিশেষ মর্যাদা নিয়ে বর্তমান অবস্থান করছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
জনাব দেবাশীষ চক্রবর্তী 0 debashis@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

৫৭২ জন (২০১২ সাল)

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণী ভিত্তিক)

শিশু শ্রেণী- ৪৬ জন

১ম শ্রেণী-৪৬ জন

২য় শ্রেণী-৫৮ জন

৩য় শ্রেণী-৪০ জন

৪র্থ শ্রেণী-৪১ জন

৫ম শ্রেণী-৪৯ জন

৬ষ্ঠ শ্রেণী-৬২ জন

৭ম শ্রেণী-৭৫ জন

৮ম শ্রেণী-৬১ জন

৯ম শ্রেণী-৫৪ জন

১০ শ্রেণী-৪০ জন 

পি,এস,সি-১০০% জেএসসি-১০০% এস,এস,সি-১০০% ২০১১ সাল

১। জনাব মোঃ হেলাল উদ্দিন ভূঁঞা- সভাপতি

                                    সচিব, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, মংলা, বাগেরহাট্

২। জনাব দেবাশীষ চক্রবর্তী-প্রধান শিক্ষক/সম্পাদক

৩। জনাব মোঃ মাহবুবল হক-সদস্য (অভিভাবক প্রতিনিধি)

৪। জনাব মোঃ বদর উদ্দিন-সদস্য (শিক্ষক প্রতিনিধি)

৫। জানব শেখ আলমগীর-সদস্য (শিক্ষক প্রতিনিধি)

৬। জনাব মোঃ মোশারফ হোসেন-সদস্য (অভিভাবক প্রতিনিধি)

৭। বেগম ফাতেমাতুজ্জোহরা-সদস্য (অভিভাবক প্রতিনিধি)

(ক) এস,এস,সি

সাল

মোট পরীক্ষার্থী

পাশের সংখ্যা

জি,পি,এ-৫

পাশের হার

২০০৭

৬৪

৫৭

০২

৮৯%

২০০৮

৩১

৩০

০৩

৯৬%

২০০৯

৪৮

৪৩

০৬

৯০%

২০১০

৪৩

৪০

০৫

৯৩%

২০১১

৩৩

৩৩

০৮

১০০%

 

(খ) জে,এস,সি

সাল

মোট পরীক্ষার্থী

পাশের সংখ্যা

জি,পি,এ-৫

পাশের হার

২০১০

৫১

৪৬

০০

৯০%

২০১১

৫৬

৫৬

০৭

১০০%

(গ) পি,এস,সি

সাল

মোট পরীক্ষার্থী

পাশের সংখ্যা

জি,পি,এ-৫

পাশের হার

২০০৯

৬০

৫৭

০২

৯০%

২০১০

৬০

৬০

০৪

১০০%

২০১১

৪৫

৪৫

০৫

১০০%

অত্র বিদ্যালয়ের কোন ছাত্র-ছাত্রী সরকার প্রদত্ত মেধা বৃত্তি ছাড়া অন্য কোন বৃত্তি গ্রহণ করে না।

পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দের আন্তরিকতায় অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা অনুপ্রাণিত ও উজ্জ্বীবিত হয়ে দেশের সর্বক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছে। এ বিদ্যালয় থেকে পাশ করে ছাত্র-ছাত্রীরা বর্তমানে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সচিব, সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত থেকে দেশের সেবা করছেন। ২০১০ ও ২০১২ সালের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পূর্ণমিলনীতে অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়ে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছে। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার হিসেবে বাংলাদেশের ৮টি বিদ্যালয়ের ১২ জনের মধ্যে পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১জন ছাত্রী ২০১২ সালে বাংলাদেশ ভ্রমনের সুযোগ পেয়েছে।

বাংলাদেশের খ্যাতনামা বিদ্যালয়গুলোর মতো খুলনাস্থ পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি লেখাপড়ার ক্ষেত্রে এক অনন্য খ্যাতি অর্জন করেছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ, ম্যানেজিং কমিটি এবং শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দের সম্মিলিত আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। বিদ্যালয়টিকে কলেজিয়েটে     রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রনালয় প্রেরিত ছক পূরণ পূর্বক প্রেরণ করা হয়েছে। বিদ্যালয়টিকে আরো সুদৃশ্য মনোমুদ্ধকর করার জন্য সেমিপাকা টিনশেডগুলো ভেঙ্গে সুপরিসর হলরুম বা অডিটরিয়ামসহ বহুতল ভবন নির্মানের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও সকল শিক্ষক/শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করান হবে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটি সকলকে আশ্বস্ত করেছেন। বিদ্যালয়ের লেখাপড়া ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সর্বদা সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

0