মেনু নির্বাচন করুন

খানজাহান আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

৯ রুম বিশিষ্ট ইউ প্যাটার্ণে অবস্থিত বিদ্যালয়টি টিনের ছাউনি ও বেড়া, বাঁশের খুটি ও পাঁকা মেঝেতে বর্তমান ১৮.১৫ শতক জমির উপর নিজস্ব জায়গায় দন্ডায়মান।

১৯৬১ ইং

খুলনা এককালে শিল্প নগরী ছিল। বিভিন্ন শিল্প কলকারখানার কাজের ভীড়ে অনেক মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র পরিবারের ছেলে মেয়েরা হারাতে বসেছিল তাদের সাধারণ শিক্ষা। তাই হয়তোবা পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার প্রেরিত আওলিয়া দরবেশ পীরে কামেল খাজা খানজাহান আলী (রঃ) এর নামে কতিপয় বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি ১৯৬১ সালে খানজাহান আলী নৈশ বিদ্যালয় নামে একটি বিদ্যালয় চালু করেছিলেন। যা ছিল রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত। নদীটি ছিল খুলনা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী নদী। সেখানে বিভিন্ন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের কর্মজীবি ছাত্র ভর্তি হয়ে পড়াশুনা করতে থাকে। শিক্ষকদের কঠোর তত্ত্বাবধানে সন্ধ্যা থেকে রাত দশটা নাগাদ হারিকেন জ্বালিয়ে শিক্ষার্থীরা অধ্যায়ন করতে থাকে। ক্রমান্বয়ে বিদ্যালয়টি সরকারের কাছে পরিচিতি লাভ করে ও এক পর্যায়ে ১৯৬৫ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত হয়। কিন্তু অনন্ত যৌবনা সেই রূপসা নদীর খরস্রোতে ও কলতানে মুখরিত হওয়ায় বিদ্যালয়টি নদীর সাথে একাত্মতার উপক্রম হতে চলেছিল। তাই কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়টিকে নদীর হাত থেকে বাঁচিয়ে তদানীন্তন গ্লাক্সো মোড় খুলনাতে ভাড়া বাড়িতে স্থানন্তরিত করেন। সেখানে বছর পাঁচেক সুনামের সহিত বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলে আসছিল। কিন্তু নদীর স্রোত থেকে রেহাই পেলেও কালের অমোঘ স্রোত থেকে রেহাই পাইনি। অর্থাৎ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল ঘাত প্রতিঘাতে শিল্প নগরী হারালো তার সমগ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান। ইতিহাসে সৃষ্টি হল বাংলাদেশ নামে এক নতুন দেশ।  ঘাত প্রতিঘাতে জর্জরিত হয়ে গ্লাক্সোর মোড় থেকে ধীরে ধীরে আশ্রয় নিল খুলনা বড় মাঠের সামনে ভিক্টোরিয়া ইনফ্যান্ট স্কুলে। সেখানে একটু মাথা গোজার ঠাঁই নিয়ে মাথা উঁচু করে চিরভাস্বর ও অম্লান হয়েছিল এ  খানজাহান আলী নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি। এখানেও বিদ্যালয়টি বেশী দিন স্থায়ী হল না। কারণ একই স্থানে দু’টি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা সরকারের নীতি বিরূদ্ধ হওয়ায় পিকচার প্যালেস মোড় শাম্স বিল্ডিং এর গলিতে ১৯৮৭ সালে সরকারের দেওয়া Enemy Property তে স্থানন্তরিত হয়। এখানেও বিদ্যালয়টি বেশ কিছুদিন চলার পরে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কারণে ১৯৯৫ সাল থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাস পেতে থাকে। নিয়ম মানে না কোন বাঁধা। তাইতো শিক্ষার মান উন্নয়নের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য আমরাও অর্থাৎ সকল শিক্ষক কর্মচারী একত্রিত হয়ে উঠলাম। ভাটার পরে জোয়ার আসে। তাই এসেছেও। এই জোয়ারের স্রোতে হাল ধরতে হয়েছে শক্ত হস্তে, একজন সুদক্ষ মাঝিকে - বর্তমান প্রধান শিক্ষক জনাব স ম মোক্তার আলী তাঁর সততা, ন্যায়পরায়নতা, সাহসিকতা ও সুচিন্তিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সকল শিক্ষকরা একটি কমিটি গঠন করে ২০০৪ সালে প্রত্যেকে কেউ জমি বিক্রি করে, কেউবা সঞ্চিত অর্থ প্রদান করে, কেউবা সুদে কিংবা ধার করে মোটা অঙ্কের তহবিল গঠন করেছিলাম স্কুলের নামে নিজস্ব জমি ক্রয়ের জন্য। আমাদের কারো চোখে ঘুম ছিল না। ছিলনা কোন বিরাম বা বিশ্রাম। সকাল-সন্ধ্যা, দিবা-নিশি প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে দীর্ঘ তিন মাস পর্যন্ত শহরের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে জমি খোঁজা, জমি ক্রয় করা, বিদ্যালয় গৃহ নির্মান করা, নৈশ থেকে দিবায় চালু করার অনুমতি নেওয়া এজন্য বিভিন্ন অফিসে দৌড়াদৌড়ি করা ইত্যাদি। একমাত্র মহান সৃষ্টিকর্তা যিনি পরম করুণাময় তিনিই সহায় ছিলেন বলে এবং নেতৃত্বে ও সকলের প্রচেষ্টার ফলে বহু চরাই উৎরাই এর মাধ্যমে আমরা এখানে পৌছাতে সক্ষম হয়েছি। এক কথায় বলা যায় সকল প্রশংসা পরম করুণাময়ের। ২০০৪ ইং সাল থেকে এ পর্যন্ত ধাপে ধাপে উন্নতির পর বিগত ২০১০ সাল আমাদের বিদ্যালয়ের একটি স্বর্ণময় যুগ পেরিয়েছি। এটাই খানজাহান আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সবচেয়ে স্মরণীয় বছর। কারণ খুলনা শহরের মধ্যে যতগুলো বিদ্যালয় শতভাগ ফলাফল করেছে তার মধ্যে এটাই একটি। তাই বিদ্যালয়টি স্বগৌরবে - স্বমহিমায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমানে ও ভবিষ্যতে উন্নতির চরম শিখরে পৌছাবে বলে আমরা মনে করি।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
জনাব স ম মোক্তার আলী 0 moqtar_ali@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

২৪৩ জন।

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)

VI - ৬৬,  VII - ৫৫,  VIII - ৫৪,  IX - ৩৯,  X - ২৯

৯০%

৯ সদস্য বিশিষ্ট নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি।

২০০৭ - ৬৪.২৯%, ২০০৮ - ৪৩.৭৫%,

২০০৯ - ৮৮.২৪%, ২০১০ - ১০০%, ২০১১ - ৯২%

৩ জন A+ (২০১১ সাল) ।

বিদ্যালয়টিকে A ক্যাটাগরিতে উন্নীতকরণ।

খানজাহান আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

বাগমারা ব্রীজ, খুলনা সদর, খুলনা।

ফোনঃ ০৪১-৮১২৬৬০  মোবাঃ ০১৭১১-৪৪৩১৪৪।

khanjahan.school@yahoo.com



Share with :

Facebook Twitter